Home Blog

লকডাউনের চতুর্থ দিনের কাঁচরাপাড়া

0

বাংলা টাইম লাইন, রাহুল কারারঃ এই স্থান টির লক্ষী সিনেমা অঞ্চল। সাধারণ দিনে এই স্থানে প্রচুর মানুষের ভীড় থাকে, এই স্থানেই রয়েছে বিভিন্ন ব্যাংক ও দোকান, কিন্তু এই প্যান্ডেমিক অবস্থা এ করোনা থেকে রেহাই পেতে মানুষ পালন করছে সরকারি নির্দেশ। প্রায় জনশূন্য কাঁচরাপাড়া চোখে পরার মতো। বীজপুর পুলিসের অসামান্য কর্ম চোখে পরার মতো।

 

মুর্শিদাবাদের অতিথি অধ্যাপক-কে হারানো মানিব্যাগ ফেরত দিলেন অটোচালক

0

বাংলা টাইমলাইন, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অটোচালকদের নিয়ে অনেক অভিযোগ থাকলেও মানবিক অটোচালকের সংখ্যাটাই বেশি। মুর্শিদাবাদের অতিথি অধ্যাপক আব্দুল উকিল বিকাশ ভবন  থেকে অটো করে বিধাননগর ষ্টেশন আসে ট্রেন ধরে বাড়ি ফেরার জন্য। ট্রেনে উঠে দেখে পকেটে  মানিব্যাগ নেই। মানিব্যাগ এর মধ্যে ATM, PAN কার্ড ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ  নথি ছিলো।  হতাশ হয়ে বাড়ী ফেরেন। কয়েকজন বন্ধুর পরামর্শে  তিনি ফেসবুকে একটি পোষ্ট করেন তার হারিয়ে যাওয়ার মানিব্যাগের বিবরণ দিয়ে।

দিনকয়েক পর আব্দুল উকিলের কাছে ফোন আসে বলা হয়, আমি পরিতোষ বিধাননগর ষ্টেশনের অটো ষ্ট্যান্ড থেকে বলছি আমাদের কাছে আপনার মানিব্যাগ আছে নিয়ে যাবেন। গত বুধবার বিধাননগর ষ্টেশন এসে ঐ কলেজ শিক্ষক মানিব্যাগ ফিরে পেয়ে আপ্লূত। পরিতোষ ও মন্টু বাবু কে কৃতজ্ঞতা  জানিয়ে বলেন যে মানবিকতার অনন্য উদাহরণ পরিতোষ ও মন্টু বাবু। এই অটো চালক এই ঘটনাকে সমাজের দায়বদ্ধতা ও সামাজিক কাজ হিসাবেই দেখছেন।

দিল্লিতে কর্মরত মুর্শিদাবাদের শ্রমিকদের সুস্থভাবে বাড়ি ফেরালো বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ

0

বাংলা টাইমলাইন, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দিল্লিতে কর্মরত মুর্শিদাবাদের শ্রমিকদের সুস্থভাবে বাড়ি ফেরালো বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ। বিগত কিছুদিন ধরেই দিল্লিতে লাগাতার অশান্তি চলছে, আর এই অশান্তির শিকার হচ্ছে বাঙালি শ্রমিকরা। আর এখানেই বাঙালি শ্রমিকদেরকে নিরাপদ ভাবে বাড়ি পৌঁছে দিল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ নামে একটি সংগঠন। শ্রমিকদের নিরাপদ ভাবে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার পর তারা মঞ্চের কর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মঞ্চের কর্তারা বলেন ভবিষ্যতে কোথাও কেউ সমস্যায় পড়লে বা কোনো অশান্তি হলে আমরা এভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেব।

বাংলা সিনেমায় প্রথম মহাকাশে পাড়ি

0

বাংলা টাইমলাইন, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দিনের আলোতেও যেমন ঝলসে ওঠে চোখ। ঠিক তেমনই রাতের নিকষ কালো অন্ধকারেও নিমজ্জিত হতে পারে দৃষ্টি। এই অনুভব-দৃষ্টির তারতম্যের মধ্যেই প্রভাব ফেলে এক একটি ব্যতিক্রম।আজীবন চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে বাস করা, চিকিৎসক-অধ্যাপক প্রসেনজিৎ চৌধুরীর হাত ধরে, বাংলা ছবির জগতে আসতে চলেছে এমনই এক ব্যতিক্রম। বাংলার প্রথম ‘স্পেস ফিকশন’ আসতে চলেছে বড় পর্দায়। পরিচালক প্রসেনজিৎ চৌধুরীর আগামী ছবি, ‘দিন রাত্রির গল্প।’  দিন আর রাত্রির এক অন্য-কাহিনীই বলবেন পরিচালক।

ঘটনার ঘনঘটা, নতুন ভাবনার বুননে তৈরি হয়েছে এই ছবিটি। যেখানে সুপ্রীতি চৌধুরী, প্রসেনজিৎ চৌধুরীর কলমে প্রকাশ পেতে চলেছে এক মেয়ের সফলতা এবং আরেক মেয়ের রহস্যের গল্প। একদিকে দিনের ঔজ্জ্বল্য, আরেকদিকে রাতের অন্ধকারের কাহিনীই ফুটে উঠেছে ‘দিন রাত্রি’র গল্পে।

উল্লেখ্য, সুপ্রীতি চৌধুরী, রজতাভ দত্ত, প্রদীপ মুখার্জি, দেবেশ রায় চৌধুরী, সৌরভ চক্রবর্তী, রায়তী ভট্টাচর্য্যের মতো দক্ষ অভিনেতাদের মিশেলে এবং শান্তনু দত্তের সঙ্গীত, দীপঙ্কর দাসে’র ভিএফএক্স এর প্রয়োগে, স্পেস ফিকশন এবং রহস্যের ঘনঘটা সৃষ্টি হয়েছে দারুণভাবে, আশাবাদী পরিচালক সহ ছবির কলাকুশলীরা।

প্রসঙ্গত, সাহসী ভাবনাতে উঠে এসেছেন ছবির মুখ্য চরিত্র অরুণিমা চ্যাটার্জী। যে বাঙালি কন্যা, নাসার ডাক পেয়ে গোপনে অভিযানে পাড়ি দিচ্ছেন। মা-বাবার অজান্তেই, মধ্যবিত্ত সংসারে, শৈশবের আকাশে সপ্তর্ষিমন্ডল দেখে শান্ত হওয়া মেয়েটিই সাকার করতে চলেছেন স্বপ্ন। এইরকম এক অদ্ভুত পরিস্থিতিতে, অরুণিমার বাড়িতে তাঁর কথা জানাতে আসেন ‘নাসা’র প্রতিনিধিরা।  পরিবার জানতে পারে, এক বিস্ময়কর ঘটনা। তাঁদের মেয়েই প্রথম পাড়ি দিচ্ছে মঙ্গলগ্রহে। পৃথিবীতে তৈরি হচ্ছে এক নতুন ইতিহাস। এরপরও পরিচালক রেখেছেন রহস্য। কিন্তু সেটা কি? জানতে হলমুখী হতেই হবে দর্শককে। ইতিমধ্যেই ছবির টিজার প্রকাশের পরই, উত্তেজনা তুঙ্গে।

এদিকে, এখানেই শেষ হচ্ছে না ‘দিন রাত্রির গল্প’। এক রাতের রহস্যাবৃত গল্পও যেন দারুণ পাওয়া হতে চলেছে দর্শকের কাছে। দুর্যোগের রাতে, একটি অচেনা মেয়েকে আশ্রয়, তাঁকে ঘিরে মৃত্যু, খুন, ভয়- চলতে থাকা রহস্য, আর তার কারণের অনুসন্ধানই এখানে মূখ্য।

আসলে ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোনো’র সংসারে, সন্তানের মহাকাশ পাড়ি, অলীক কল্পনার নামান্তর মাত্র। খালি চোখেই কালপুরুষ বা আকাশের নক্ষত্র দেখেই ঘুমিয়ে পড়তে হয় প্রায় সব শিশুকেই। প্রতিবন্ধকতার মায়াজালে আটকে থাকে আকাশে পাড়ি দেওয়ার মতো স্বপ্ন।  কিন্তু চিকিৎসক-পরিচালক প্রসেনজিৎ চৌধুরী, তাঁর মৌলিক ভাবনা দিয়ে, এই অসাধ্যকেই সাধন করতে চলেছেন এবার। রজতাভ, প্রদীপ, সুপ্রীতি’র মতো যোগ্য অভিনেতাদের সঙ্গতে, ‘স্পেস ফিকশন’ এবং দিন-রাতের এক,  কাহিনীর সার্থক রূপ, আগামী ২৮শে ফেব্রুয়ারী  পেতে চলেছেন বাংলার সিনে-প্রেমিরা।

মৈত্রদূত এর বইমেলা সংখ্যা প্রকাশ

0

বাংলা টাইমলাইন, রাহুল কারার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০: কল্যাণীতে আন্তর্জাতিক বাংলা ভাষাভবনে প্রকাশিত হল “মৈত্রীদূত” পত্রিকার ব‌ইমেলা সংখ্যা। এটি ২য় বর্ষের ‌২য় সংখ্যা। পত্রিকাটি দেয়াল পত্রিকা হিসেবে ১৯৭৯ সালে প্রথম প্রকাশ পায়। সম্পাদক শ্রীসুখেন্দু বিকাশ মৈত্রর তত্ত্বাবধানে ত্রাণমন্ত্রী শ্রীরাধিকা রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় ও শি‌ক্ষাবিদ ড‌়রমা চৌধুরী পত্রিকা প্রকাশ করেন। বর্তমানে শ্রীসুখেন্দু বিকাশ মৈত্রের পুত্র শ্রীকুশল মৈত্র পত্রিকাটি পুস্তক আকারে প্রকাশ করে চলেছেন। এদিন পত্রিকা উদ্বোধন করেন সুখেন্দু বিকাশ মৈত্র, গায়েত্রী চ্যাটার্জী, তাপস গুপ্ত, হরি‌ৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, গোবিন্দ ব্যানার্জী, দিলীপ মিস্ত্রী মহাশয়। দূরদূরান্ত থেকে আসা প্রায় শতাধিক লেখক-সাহিত্যিকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। যেমন পরিমল মণ্ডল, জালাল উদ্দিন আহমেদ, দীপক সাহা, তমাল সাহা, রণজয় মালাকার, সংঘমিত্রা মুখার্জী, ময়ূখ হালদার, সীমা রায়, সুদীপ ভট্টাচার্য, প্রবীর রায়, শমিত মণ্ডল, রেখা ব্যানার্জী, সুরঞ্জন বিশ্বাস, প্রবীর সান্যাল, চন্দন সাহা, চৈতালী বসু প্রমুখ। পত্রিকা সম্পাদক কুশল মৈত্র বলেন, মৈত্রীদূত যেন সকলের কাছে মৈত্রীর বন্ধনে লেখার বাগান সুশোভিত হয়। ১১৬ পৃষ্ঠার মৈত্রীদূত কবিতা, গল্প, অণুগল্প, রম্য রচনা, প্রবন্ধ, নিবন্ধে, ভ্রমণ, চিঠিতে পূর্ণ রসদ পত্রিকা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দেবাশিস রায়।

হালিসহর রামপ্রসাদের ভিটে তে অন্নকূট উৎসব পালন

0

বাংলা টাইম লাইন, রাহুল কারারঃ হালিসহর, যার আগের নাম হাভেলি সহর শুনতেই আমাদের যার নাম মনে পরে তিনি হলেন মাতৃসাধক রামপ্রসাদ। তার রচিত রামপ্রসাদি সংগীত আমাদের মন কে পাগল করে দেয়।

প্রতিবছর এই ২৬জানুয়ারি দিন টি তে রামপ্রসাদ এর ভিটে অর্থাৎ রামপ্রসাদ এর স্থাপন করা এই মাতৃমন্দির টি তে অন্নকূট উৎসব পালিত হয়। এই দিন সমগ্র অঞ্চলে মেলা বসে ও মানুষ এর ভিড় হয় চোখে পরার মত

কাঁচরাপাড়া ডি ওয়াই এর দেশ প্রেম দিবস পালন

0

বাংলা টাইম লাইন, রাহুল কারারঃ ২৩ শে জানুয়ারি, এই দিনটিকে দেশপ্রেম দিবস হিসেবে পালন করার দাবিতে প্রত্যেক বারের মতন এবারও কাঁচরাপাড়া এসএফআই ডিওয়াইএফআই মিছিল সংঘটিত করে। সকাল সাড়ে দশটার সময় স্থানীয় টিকটিকি বাজার পেট্রোল পাম্প থেকে এই মিছিল টি শুরু হয়। প্রচুর সদস্য ও মিছিলে মানুষের সংখ্যা ছিল চোখে পরার মতো।

কল্যানী সেন্ট্রাল পার্কের ভাষা উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও জীববৈচিত্র উৎসব ২০২০

0

বাংলা টাইমলাইন, রাহুল কাঁড়ারঃ প্রচুর ফুল,ফল, ক্যাকটাস, সেকুলেন্ট এর সম্ভার নিয়ে কল্যানী পৌরসভার এর উদ্যোগে কল্যানী সেন্ট্রাল পার্ক এর ভাষা উদ্যান এ অনুষ্ঠিত হল ৩২ তম পুষ্প,পত্র,সবজি,আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও জীববৈচিত্র উৎসব ২০২০। অনুষ্ঠান টি ১৭/১/২০২০ থেকে ১৯/১/২০২০ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। প্রচুর মানুষের ভীড় হয়। বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রচুর মানুষ অংশগ্রহণ করে এই অনুষ্ঠানে।

আমেরিকান গেম-এর বাংলা অনুবাদ, নিজের দেশকে আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিতি দিয়েছেন ডেভেলপার মারুফ মোস্তফা

0

বাংলা টাইম-লাইন ওয়েব ডেস্কঃ জিটিএ ভাইস সিটি একটি আমেরিকান কম্পিউটার ভিডিও গেম। এই গেমের মধ্যে অনেক চোখ-ধাঁধানো গ্রাফিক্স, জীবন্ত মানুষের মতো কথাবার্তা, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি সহ বিভিন্ন রেডিও গান আছে এবং বিভিন্ন মিশান কমপ্লিট করতে বলা হয়। সব মিলিয়ে এর জনপ্রিয়তা শুধুমাত্র আমেরিকা নয়, বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের মানুষের কম্পিউটারে এই গেম খেলা হয়।

সালটা ২০০৪, সেইমতো বাংলাদেশেও তখন তুমুল জনপ্রিয় জিটিএ ভাইস সিটি গেম। কিন্তু ভাষা, গান সবকিছু বিদেশি। তৎকাল বাংলাদেশের কম্পিউটার বিভাগের একজন তরুণ ছাত্র তার কয়েকজন সহপাঠী বন্ধু-বান্ধবীকে নিয়ে ঠিক করলেন গেমটার বাংলা অনুবাদ করবেন। ঠিক কথা অনুযায়ী কাজ। কয়েকজনকে নিয়ে টিম বানিয়ে ফেললেন এবং কাজও শুরু করে দিলেন। কাজ শেষ করার পর জিটিএ বাংলা ভাইস সিটি মুক্তি পেল ২০০৪ সালের ১৫-ই নভেম্বর। এটি তখন সিলভার সিডিতে পাবলিশ করা হয়। তারপর এর দ্বিতীয় সংস্করণ ১ জুন ২০০৫ সালে ডিভিডিতে প্রকাশ করা হয়। আমেরিকার মতো বাংলাদেশেও তুমুল জনপ্রিয়তা পেল গেমটি। জিটিএ বাংলা ভাইস সিটি গেমস জনক আর কেউ নয়, বাংলাদেশের মাতৃসন্তান এবং গেমটির ডেভলপার মারুফ মোস্তফা। বর্তমানে উনি বাংলাদেশ এয়ারটেল কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার পদে কর্মরত।

মারুফ বলেন, “গেমটি তৈরি করতে আমি এবং আমার টিম মিলে ৬ মাস সময় লেগেছিল। গেমটির মধ্যে প্রতিটা কথোপকথন বাংলায় অনুবাদ, গ্রাফিক্স আরো উন্নত, প্রতিটা রেডিও গানের বাংলা অনুবাদ এবং আরো অনেক চোখ ধাঁধানো জিনিস যুক্ত করা হয়েছে। গেমটি বানানো যেদিন শেষ, তখনও ভাবতে পারিনি এতটা জনপ্রিয়তা পাবে। বিশেষ করে এর সিনেমাটিক কাটসিন, ডায়লগ, রেডিও গানগুলো এর জনপ্রিয়তার মূল কারণ। বাংলাদেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, যা এর মধ্যে একটা কমেডি ভাইভ এনে দিয়েছে। তবে গেমটি ১২ বছরের বাচ্চাদের নিচে নয়।”

তৎকালীন বাংলাদেশে এই গেমটি প্রকাশিত হওয়ার পর, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় মারুফকে নিয়ে লেখালেখি হয়। বহু আন্তর্জাতিক স্তর থেকে প্রশংসাও পান তিনি। ১৫ বছর পরেও গেমটি এখন তার জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। ইটস আর নস্টালজিয়া টু ইটস ফ্যানস।

আপনারা চাইলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জিটিএ বাংলা ভাইস সিটি অফিসিয়াল ফেইসবুক পেজ থেকে গেমটি ডাউনলোড করে খেলতে পারেন। অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ডাউনলোড লিংক দেওয়া আছে।

মুক্তি পেল রনজিৎ দাসের ওয়েব-সিরিজ “কোলবালিশ”-এর প্রথম গান

0

বাংলা টাইম-লাইন ওয়েবডেস্কঃ মুক্তি পেল টলিউডের স্বনামধন্য পরিচালক রনজিৎ দাসের ওয়েব-সিরিজ “কোলবালিশ”-এর প্রথম গান ‘ভালোবাসা আজ পথে..‘। গানটি ইতিমধ্যে অনেক নামকরা প্লাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে এবং অনেক প্রশংসাও কুড়িয়েছে। এই গানের কথা, সুর, মিউজিক সবকিছুই দিয়েছেন পরিচালক রনজিৎ দাস

এই ওয়েব সিরিজ কোলবালিশে অভিনয় করেছেন টলিউডের কিছু নামকরা মুখ। আপাতত খুব বড় মাপের প্রজেক্ট এটি। পরিচালকের কথায়, “প্রতিনিয়ত সব কিছু ডিজিটালাইজ হচ্ছে, তাই আরো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবার জন্য, মানুষের গল্প মানুষকে বলার জন্য, একটু বিনোদন দেওয়ার জন্য আমরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে বেছে নিয়েছি।” এই ওয়েব-সিরিজ টি নিবেদন করছে পরিচালকের নিজের প্রোডাকশন ওয়াও মিডিয়া এন্টারটেইনমেন্ট

আপনারা গানটি শুনুন, ভালো লাগলে মতামত জানান, আর পাশে থাকুন। তাহলেই ভবিষ্যতে এধরনের আরো অনেক কিছু প্রজেক্ট বানানোর উৎসাহ পাওয়া যাবে।

1. iTunes – https://music.apple.com/in/album/bhalobasa-aaj-pothe-single/1493380083

2. Gaana – https://gaana.com/album/bhalobasa-aaj-pothe-single

3. JioSaavn – https://www.jiosaavn.com/album/bhalobasa-aaj-pothe—single/gK9jkFx7XjE_

4. Napster – https://us.napster.com/artist/sanket-das/album/bhalobasa-aaj-pothe-single

5. Amazon – https://www.amazon.com/Bhalobasa-Aaj-Pothe-Sanket-Ranajit/dp/B083DY2XQB/ref=sr_1_1?keywords=Bhalobasa+Aaj+Pothe+-+Single&qid=1578399504&sr=8-1

6. Google Play Music – Available

google-site-verification=Hc1LpMguJcfIaW0yCSfJnAwl29sD-2gI2LMBm_rPpXQ