Home Blog

আগামী ফেস্টিভ্যালে আসছে পরিচালক রনজিৎ দাসের ছবি ‘হাফ ড্রিমস’

0

বাংলা টাইমলাইন ওয়েব ডেস্কঃ আগামী ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আসছে পরিচালক রনজিৎ দাসের নতুন প্রোজেক্ট ‘হাফ ড্রিমস’। পরিচালকের কথায়, যখন কিছু কিছু মানুষ নিজের প্যাশানকে প্রফেশন হিসেবে ভেবে নেয়, তখন জীবনের ওঠাপড়ার মাঝে প্যাশানকে প্রফেশন করার চেষ্টা করে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে একটা স্বপ্ন বহন করতে থাকে। আমাদের অনেকের ক্ষেত্রে এমনটা হয়, যেসব স্বপ্ন জীবনের মাঝপথ পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয় না, এজন্য এই প্রোজেক্টের নাম ‘হাফ ড্রিমস’। এটি অবশ্য ওয়াও মিডিয়া এন্টারটেইনমেন্ট চ্যানেলে দেখতে পাবেন। এটি মূলত ফেস্টিভ্যাল মুভি এবং একটি সারপ্রাইজ প্রোজেক্ট।

পরিচালকের আরো একটি ওয়েব সিরিজ ‘কোলবালিশ’ এর কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। এটি অনেক বড় মাপের প্রজেক্ট তাই শেষ করতে একটু সময় লাগছে বলে জানালেন পরিচালক। এটিতে কাজ করছেন টলিউডের বেশ কিছু সুপরিচিত মুখ, কিন্তু সেসব নিয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ পরিচালক। তাই এখন আপাতত অপেক্ষা।

বাইক দূর্ঘটনায় মৃত আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি বিভাগের ছাত্র

0

বাংলা টাইম-লাইন ওয়েব ডেস্কঃ আজ রবিবার ১ ডিসেম্বর   সন্ধেবেলা উলুবেড়িয়া থেকে ডায়মন্ডহারবার বাড়ি ফেরার পথে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক থিওলজি বিভাগের M.A(MM) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মাওলানা মোঃ আব্দুল মাতিন ভয়াবহ বাইক দূর্ঘটনার মুখোমুখি হন। ঘটনা স্থলে উনি সঙ্গে সঙ্গে মারা যান। খবর শোনামাত্র ক্যাম্পাসের ছাত্র-ছাত্রী গভীরভাবে শোকাহত হয়ে পড়েন।

ওনার আত্মার শান্তি-কামনা করে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও নিউটাউন ক্যাম্পাস -এর সকলেই দোয়া প্রার্থনা করেন।

৩০০ বছরের পুরনো কার্তিক পুজোর বিসর্জন

0

মালদা-২২ নভেম্বর: প্রথা মেনে সাড়ে ৩০০ বছরের পুরনো ফুলবাড়ির রায় বাড়ির কার্তিক পুজোর বিসর্জন হয়ে গেল শুক্রবার রাতে। এদিন সংগ্ন মহানন্দা ঘাটে একে একে দেব সেনাপতির সহ-‌সঙ্গী দেবদেবীর প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয় নদীর পাড়ে। নৌকায় একই চালচিত্র সাজিয়ে নৌকাবাইচ হয় তারপর। সঙ্গে সঙ্গে চলতে থাকে রকমারি বাজির খেলা। দেব সেনাপতির ভাসান দেখতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান এদিন মহানন্দার বাঁধে। দেব সেনাপতির এহেন চালচিত্র দেশের মধ্যে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে দাবি পরিবারের। ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এই পুজো যদিও মনমোহন সাহার পুজো নামেই প্রসিদ্ধ। পারিবারিক পুজো হলেও, সর্বজনীন পুজোয় পরিণত হয়েছে। দেব সেনাপতির এক চালচিত্রে তিনি-‌সহ রয়েছেন ২৬ দেবদেবী। তাঁদের পুজো বাঁকাবিহারীর পুজোও বলে থাকেন অনেকে। রায় বাড়ির পুজো আবার বংশরক্ষার পুজোও বলে থাকেন অনেকে। পুজো উপলক্ষ্যে বসে বিশাল ঐহিত্যবাহী মেলা। এবার নিয়ম মতো গত রবিবার পুজো হয়। দেব সেনাপতির ভাসান হলেও মেলা চলবে বেশ কিছুদিন।

পুরসভার কর্মচারীদের নিয়ে ধিক্কার মিছিল

0

বাংলা টাইমলাইন ওয়েব ডেস্কঃ শুক্রবার মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলামের উপর আক্রমণ হওয়ার প্রতিবাদে পুরসভার কর্মচারীদের নিয়ে ধিক্কার মিছিল করলেন জঙ্গিপুর পুরকর্মচারী ইউনিয়ন আহ্বায়ক বিকাশ নন্দ উপস্থিত ছিলেন পুরকর্মচারী সভাপতি শান্তনু সরকার সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন সহ বহু তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থক ছিলো বহু মহিলাও.

শীতকালীন সবজির দাম আগুন: কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই

0

মালদা-‌২২ নভেম্বর: বাজারে আনাজপাতির দাম আকাশছোঁয়া। শীতকালীন সবজির দাম আগুন। পেঁয়াজ থেকে আলু, কপি, পটল সবই হু হু করে বাড়ছে। কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। দামের মধ্যেও ফারাকও রয়েয়ে। একেক জিনিসের দাম একেক জায়গায় আবার একেক রকম। কিছুদিন ধরে নরজদারি শুরু হয়েছে কলকাতা-‌সহ সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। এতদিন বাদে মালদা শহরে শুক্রবার টাস্ক ফোর্সের নজরদারি দেখা গেল। জানা গেছে, বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই দলে ছিলেন। সেখানে যেমন ইংরেজবাজার পুরসভার আধিকারিকরা ছিলেন, তেমনই ফুড সেফটি, লিগাল মেট্রোলোজি-র মতো অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা ছিলেন। সেখানে খাদ্যের গুণগত মান থেকে ওজনের যন্ত্র, খাদ্যের লেভেলিং থেকে দাম-‌সবই দেখা হয়। বিশেষ করে দেখা হয়, পাইকারী দামের সঙ্গে খুচরো বাজারের দাম। এর সঙ্গে মিলিয়ে উৎপাদনকারীদের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্য, সেটাও দেখা হয় এদিন।

১৯টি উট উদ্ধার করল হরিশ্চন্দ্রপুর থানা

0

মালদা-২২ নভেম্বর: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ১৯টি উট উদ্ধার করল হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে হরিশ্চন্দ্রপুরের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিহার সংলগ্ন মারাডাঙি গ্রাম থেকে উটগুলি উদ্ধার করে ।ট্রাকচালক সহ মোট তিনজন পাচারকারী পলাতক পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রাজস্থান থেকে এক ট্রাক ভর্তি ১৯ টি ভারতীয় উট হরিশ্চন্দ্রপুরের মারাডাঙি গ্রাম হয়ে বিহারে পাচার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় ট্রাকটিকে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া উটের বাজার মূল্য ২০-২৫ লক্ষ টাকা বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

কাঁচরাপাড়ায় দুঃস্থদের পাশে সমাজসেবী সংস্থা ঊষা

0

রাহুল কাঁড়ার, কাঁচরাপাড়াঃ সারা পৃথিবী তে যখন হিংসা এর পরিমান বেড়ে চলেছে, তখন কাঁচরাপাড়া অঞ্চলের একদল তরুন তূর্কি পথে নেমে পড়ল দুঃস্থ মানুষ ও শিশু দের হাতে এক বেলা খাবার তুলে দেওয়ার জন্য। কাঁচরাপাড়া অঞ্চলে USHA নামে এক সমাজসেবী সংস্থা এই অনুষ্ঠান সূচী টি পালন করে শিশু দিবসের দিন সন্ধ্যা বেলা তে, তারা শুধু মাত্র তাদের অঞ্চলে না হালিসহর,নৈহাটি ও শ্যামনগরের স্টেশন চত্ত্বরে দুঃস্থ মানুষের হাতে তুলে দেয় খাবার। এটাই অবশ্য তাদের প্রথম উদ্যোগ না। এর আগেও তারা এই ধরনের সমাজ কল্যাণ মূলক কর্মসূচি পালন করেছে

পৌষ পার্বণের মাটির সরা বানাতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

0

পল মৈত্র,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ শীত মানেই নলেন গুঁড়ের মিষ্টি সুবাস । শীত মানেই পিঠে-পায়েস। আর পিঠে পায়েসের উত্‍সব মানেই পৌষ পার্বণ। পৌষ পার্বণের দিন এগিয়ে আসার সাথে সাথেই মৃত্‍ শিল্পীদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। কয়েকদিন ধরেই চরম ব্যস্ততায় নাওয়া-খাওয়া প্রায় ভুলেই গিয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মৃত্‍ শিল্পীরা। বাঙালীর বারো মাসে তেরো পার্বণের অন্যতম পার্বণ হল পৌষপার্বণ।

‘মাসিমা মালপোয়া খামু’ বাংলা সিনেমায় এই বিখ্যাত প্রবাদ যা প্রতিটি বাঙালী বাড়ির অন্দরমহলের অন্তর্নিহিত কথা সেই সময় সিনেমায় প্রকাশ পেয়েছিল। এখনও শীতের সময়টাতে প্রতিটি বাঙালীকে পিঠে পুলির উত্‍সব অর্থাত্‍ পৌষ পার্বণ উত্‍সবে মেতে উঠতে দেখা যায়। পূর্বে শহর থেকে গ্রাম একান্নবর্তী পরিবার ছিল সর্বত্রই। ঠাকুরমা, মাসিমা, দিদিমারা প্রতি বছর শীত পড়তেই ঢেঁকিতে চালের গুঁড়া তৈরি করে রৌদ্রে শুকিয়ে তা কৌটোযাত করতেন। আর পৌষ পার্বণের দিনে বাড়ির মহিলারা সকাল থেকেই গোটা বাড়ি গোবর দিয়ে লেপে সুন্দর সুন্দর আলপনা আঁকতেন । দুপুর হতে না হতেই চালের গুঁড়োর সাথে চিনি অথবা নলেন গুড় অর্থাত্‍ খেজুরের গুড় মিশিয়ে পিঠে পুলি তৈরির উপকরণ তৈরি করে ফেলতেন। পৌষ সংক্রান্তির দিন সন্ধে হতেই গৃহস্থ বাড়িতে শুরু হয়ে যেত রকমারী পিঠে পুলি বানানোর কাজ।

এই পিঠে পুলি তৈরি করতে প্রয়োজন মাটির তৈরি সরা। এটি তৈরি করতে বেশ কয়েকদিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম যাচ্ছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার পাল পাড়ার মৃত্‍ শিল্পীরা।শীতের শৈত্য প্রবাহকে উপেক্ষা করে এঁটেল মাটির সাথে প্রয়োজন মতো জল মিশিয়ে বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে সেই মাটিকে মাখিয়ে সরা তৈরির উপযোগী করে তোলা হয়। এরপর নরম মাটিকে সাঁচে ফেলে বিভিন্ন আকৃতির সরা তৈরি করা হয়। কোনও সরার নাম এক খুঁটির সরা আবার কোনটা সাত খুঁটির সরা। প্রতিটি সরার জন্য একটি করে মাটির ঢাকনাও তৈরি করেন মৃত্‍শিল্পীরা। চলতি ভাষায় এটি ঢাকন নামে পরিচিত।এরপর সেই সরাগুলিকে রৌদ্রে শুকিয়ে আগুনে পোড়ানো হয়। তারপর সেগুলিকে একটি একটি করে বাছাই করে তা পাইকারি ও খুচরো হিসেবে বিক্রি করা হয়। আকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরণের সরা সহ ঢাকনার দামও বিভিন্ন রকম হয়।মৃত্‍ শিল্পী লক্ষ্মী পাল, কল্পনা পালরা জানান, শীতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে সরা, ঢাকন তৈরি করলেও এখন আর আগের মত সরা-ঢাকনের চাহিদা নেই। কারণ বর্তমানে শীতের দিনগুলিতে হাটে-বাজারে পিঠে-পুলি বিক্রি হয়।

বাড়িতে পিঠে পুলি বানানো এখন আর অনেকেই নিজের ঘাড়ে নিতে চান না।মৃত্‍ শিল্পী দীনেশ পাল, দেবেন্দ্র পালরা জানান, ‘সরা, ঢাকন বিক্রি আগের থেকে অনেক কমে গেছে।তার উপর মাটি সহ জ্বালানী খরচ বাড়লেও সেই অনুপাতে সরা, ঢাকনের দাম পাওয়া যায় না। বাপ ঠাকুরদার ব্যবসা ঠিকিয়ে রাখতে আমরা এই পেশাকে আঁকড়ে ধরে থাকলেও নতুন প্রজন্ম এই পেশা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে’।

মালদায় ফ্রী ডেন্টাল ক্যাম্প

0

ডিজিটাল ডেস্কঃ আজ গৌড় মহাবিদ্যালয় এনএসএস ইউনিটের পরিচালনায় ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছিল। এই ক্যাম্পে সারাদিন চিকিৎসা করলেন বিশিষ্ট ডাক্তার মধুমিতা প্রধান মহাশয়া। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী শুভ প্রিয় ভাদুড়ি মহাশয় এবং অন্যান্যরা।

গঙ্গরামপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী

0

পল মৈত্র,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ মঙ্গলবার দুপুর ১.৩০ নাগাদ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে হেলিপ্যাডে পদার্পণ করেন ও প্রশাসনিক বৈঠক সারেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। এদিন তিনি কোচবিহার থেকে প্রশাসনিক বৈঠক সেরে গঙ্গারামপুরে আসেন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠককে ঘীরে প্রশাসনিক ব্যস্ততা ও নিরপত্তা ছিল যথেষ্ট আটোসাঁটো। সারা গঙ্গারামপুর শহরকে নিরপত্তার চাদরে মুরিয়ে ফেলা হয়। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সরকারী সহকারী সহ নেতারা ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসক নিখিল নির্মল, গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক দেবাঞ্জন রায়, পুলিশ সুপার প্রসূন ব্যানার্জী, মন্ত্রী বাচ্ছু হাঁসদা, গঙ্গারামপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান অমলেন্দু সরকার সহ অন্যান্য নেতা নেত্রীরা। এদিন প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত বৈঠক সেরে মালদার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

অন্যদিকে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক ছিল তা অনেকেই জানতেন না তাই শতাধিক তৃণমূল সমর্থকরা স্টেডিয়ামে প্রবেশ না করতে পেরে বাড়িমুখো হন। অনেকে আবার মমতা ব্যানার্জীকে দেখার জন্য খাঁ খাঁ রোদে দাড়িয়ে থেকে মুখ্যমন্ত্রী হেলিপ্যাডে পদার্পণ করলে তার উদ্দেশ্যে হাত নাড়ান আবালবৃদ্ধবনিতা। এদিন এই প্রশাসনিক বৈঠককে ঘীরে শহর জুড়ে ও বৈঠক স্থল স্টেডিয়ামে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও সিভিক ভলেন্টিয়ার্স মোতায়েন করা হয়। এবং কোন গাড়ি বৈঠক স্থলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি আর যার ফলে ৫১২ নং জাতীয় সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় সাধারন মানুষ সমস্যায় পড়েন। তবে প্রশাসন তৎপর থাকার ফলে যানজট মুক্ত পরিবেশ করা হয় খুব দ্রুত। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে দেখতে ভীড় জমান প্রচুর মানুষ আর ভীড় ছিল লক্ষনীয়। দুপুর ৩ টা নাগাদ হেলিকপ্টারে চড়ে ফের প্রশাসনিক বৈঠক করতে মালদার উদ্দেশ্যে রওনা হন বলে সুত্রের খবর।

google-site-verification=Hc1LpMguJcfIaW0yCSfJnAwl29sD-2gI2LMBm_rPpXQ