Home Blog Page 2

জলঙ্গী পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক প্রশাসনের উদ্দগে স্বেচ্ছায় রক্ত দান শিবির

0

নিজস্ব প্রতিনিধি, তৌসিফ ইকবালঃ  মুর্শিদাবাদের জলঙ্গী পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক প্রশাসনের উদ্দগে স্বেচ্ছায় রক্ত দান শিবিরের আয়োজন করা হল জলঙ্গী পঞ্চায়েত সমিতির কমিউনিটি হলে 14ই নভেম্বর.
জলঙ্গী ব্লক BDO সাহেব আজার জিয়া সাহেব, DR অমর ঘোষ ( BMOH), ব্লক সভাপতি শুক্লা সরকার থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতির সকল সদস্য ও সদস্যা এবং ব্লক প্রশাসনের সকল প্রতিনিধি দের উপস্থিতিতে আয়োজন করা হল এই রক্ত দান শিবিরের.

BDO সাহেব নিজেই রক্ত দান করলেন এবং সমাজে রক্তদানের বার্তা পৌঁছে দেবার কথা জানালেন.
প্রায় 300 জন আজ রক্ত দান করবেন বলে জানালেন BDO সাহেব।

জেলায় একের পর এক জায়গায় চলছে জল ধরো অভিযান

0

নিজস্ব প্রতিনিধি, তৌসিফ ইকবালঃ জেলায় একের পর এক জায়গায় চলছে জল ধরো অভিযান। আজ মুর্শিদাবাদ থানার কিছু জায়গায় নিউরোলজিস্ট দের সঙ্গে নিয়ে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ এর সহযোগিতায় কিছু ওয়ার্ড এর অবৈধ জলের কারখানায় অভিযান চালায়। রওশনবাগ এর মিরাজ শেখের ফ্যাক্টরিতে যখন তল্লাশি চালায় তখন মিরাজ শেখ কাগজ বের করার নাম করে পালিয়ে যায়। ৪ টি জলের আরো বাজোয়াপ্ত করা হয়। সকলের ই কোনো বৈধ কাগজ নেই। রতনপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডের অতসী মন্ডল , স্বামী আদিত্য নারায়ণ মন্ডল এর বাড়ি সার্চ করতে গেলে সেইখানে প্ল্যান এর পাশে খারযুক্ত লবণ পাওয়া যায় । ৪ টে প্লান্টের মধ্যে ২ টো প্লান্ট এখনো চালু ছিল ও ২ টি প্লান্ট বন্ধ ছিল। ২ টি প্লান্ট অনেকদিন থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ অতসী মন্ডল , স্বামী আদিত্য নারায়ণ মন্ডল একে আটক করে পুলিশ । পুলিশ সূত্রে খবর বাড়ির ভিতরে ছোটো ঘরে প্লান্ট করে ব্যাবসা করা হচ্ছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে চলছে জল তৈরির ব্যবসা। কারোর নেই প্রয়োজনীয় কাগজ । শহরের সমস্ত অবৈধ জলের প্লান্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানায়। আজ ৪ টি প্লান্ট কে বন্ধ করে দেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর উদ্ধার কৃষি আধিকারিক

0

মালদা, ১৪ নভেম্বর : তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর উদ্ধার কৃষি আধিকারিক। বুধবার রাতে তাকে ভর্তি করা হয়েছে শহরের একটি বেসরকারি নাসিংহোমে।

জানা গিয়েছে কৃষি আধিকারিক প্রদীপ কুমার হাঁসদা তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় পরিবারের লোকেরা খবর পান পুরাতন মালদার মৌলপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি রয়েছেন তিনি। অসুস্থ অবস্থায় তাকে সেখান থেকে স্থানান্তর করে মালদা শহরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করে পরিজনেরা। বর্তমানে সেখানেই চলছে তার চিকিৎসা। জানা গিয়েছে পুরাতন মালদার নারায়নপুর এলাকায় অসুস্থ অবস্থায় পড়েছিলেন তিনি। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

আবারও জালনোট সহ গ্রেফতার এক মালদায়

0

মালদা, ১৪ নভেম্বর : আবারও জালনোট সহ গ্রেফতার এক মালদায়। ২ লক্ষ  টাকার জালনোট সহ এক পাচারকারীকে গ্রেফতার করল মালদার কালিয়াচক থানার গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশ

গোপন সুত্রে খবর পেয়ে কালিয়াচক থানার গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশ  বুধবার  রাতে   সাহাবাজপুর মোমিনপাড়া এলাকা থেকে জালনোট সহ এক জনকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার  ধৃতদের মালদা জেলা আদালতে পেশ করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ। পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, ধৃত হলো সানাউল সেখ  (৪১)বাড়ি কালিয়াচক থানার গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ির মোহব্বতপুর তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ২লক্ষ  টাকার জালনোট।নোট গুলি হলো ২ হাজার টাকার ১০০টি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই জালনোট পাচারের উদ্দেশ্য নিয়ে যাচ্ছিলে । ধৃতকে বৃহস্পতিবার মালদা জেলা আদালতে ৭ দিনের  হেফাজত চেয়ে আবেদন করেছে। সাথে এই পাচার চক্রের সাথে আরো কারা জড়িত  তদন্তে নেমেছে  কালিয়াচক থানা গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ি থানার পুলিশ।

আন্তর্জাতিক শিশু দিবসে সচেতনতামূলক ট্যাবলোর সূচনা

0

নিজস্ব প্রতিনিধি, তৌসিফ ইকবালঃ  শিশু সুরক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আন্তর্জাতিক শিশু দিবসে সচেতনতামূলক একটি ট্যাবলোর সূচনা করে জেলা শিশু সুরক্ষা দপ্তর। ‘‌মুক্ত করো ভয়’‌ এই শিরোনামে ট্যবলোটি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে এক সপ্তাহ ধরে প্রচার চালাবে। জেলা প্রশাসন সূ্ত্রে জানা গেছে, আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে শিশু সুরক্ষা সপ্তাহ। এই উপলক্ষ্যে শিশু সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা সভা থেকে শোভাযাত্রা, সচেতনতামূলক প্রচার-‌সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

দুটি ষাঁড়ের লড়াইয়ে আতঙ্ক মালদা শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে

0

মালদা, ১৩ নভেম্বর : দুটি ষাঁড়ের লড়াইয়ে আতঙ্ক মালদা শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে। দুটি ষাঁড়ের লড়াইয়ে আতঙ্ক মালদা শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে। মঙ্গলবার রাতে দুই ষাঁড়ের লড়াই বন্ধ করতে মশাল জালাল স্থানীয়রা। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টার পর ষাঁড় দুটিকে তাড়াতে সক্ষম হন তারা। মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ দুটি ষাঁড় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়ে। এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়তে নারাজ তারা। দুজনের শিং দিয়ে শুরু হয় লড়াই। আর এই লড়াইয়ের কারণে পথচলতি মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। দুই চাকা হোক বা চার চাকা রাস্তার মধ্যে দুই ষাঁড়কে লড়াই করতে দেখে দাঁড়িয়ে পড়েন তারা। কখনো দাঁড়িয়ে থাকা মোটরবাইকে আছড়ে পড়ে তারা আবার কখনো পথচলতি মানুষদের ধাওয়া করা। যুদ্ধ পরিস্থিতি দেখে ঘেউ ঘেউ করতে থাকে সারমেয়রা। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টার পর ষাঁড় দুটিকে তাড়াতে সক্ষম হন তারা।

মালদা জেলা ৩১ তম বইমেলা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে

0

মালদা, ১৩ নভেম্বর : মালদা কলেজে নয় এই বছরও মালদা জেলা ৩১ তম বইমেলা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে পুরাটুলি বড় শিব মন্দির ময়দানে। বুধবার বই মেলা কমিটি এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে প্রশাসনিক ভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, বইমেলা কমিটির সম্পাদক অম্লান ভাদুরি, বইমেলা কমিটির সদস্য সুমালা আগারওয়ালা সহ অন্যান্যরা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অম্লান ভাদুরি জানান, বইমেলা নিয়ে এক প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। জেলার সমস্ত এল এল এ সদস্যরা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।গতবারের মতো এ বছরও মালদা জেলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে পুরাটুলি শিব মন্দির ময়দানে। মালদা কলেজ কর্তৃপক্ষ অনুমতি না দেওয়ায় গত বারের মতো এবছরও বইমেলার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। এবারে মালদা জেলার ৩১ তম বইমেলায় ১৪০ টি স্টল থাকবে। বাংলাদেশ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক কিছু স্টল থাকবে বই মেলায়। আগামী ১৫ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত বই মেলার দিন ধার্য করা হয়েছে। কোনো কারণবশত উদ্বোধনের দিন আগে-পরে হতেও পারে বলে জানান তিনি।কলকাতা বইমেলার পর মালদা বইমেলা এবছরও বড় করে বইমেলার আয়োজন করা হবে।

বোনফোঁটা পালন মালদায়

0

মালদা, ১২ নভেম্বর: ছেলেদের মঙ্গলার্থে সমাজে হরেক কিসিমের অনুষ্ঠান সমাজে পালিত হয়ে থাকে। কিন্তু মেয়েদের বেলায়?‌ মেয়েদের মঙ্গলার্থে কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানই নেই। এই মেয়েদের কথা ভেবে এগিয়ে এলেন কিছু মহিলা। আয়োজন করা হয় বোনেদের মঙ্গল কামনার উৎসব। বোনফোঁটা। এদিন বোনেদের ফোঁটা দিলেন দিদিরা। আর জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে গুরু পূর্ণিমার দিনটি। ফি-‌বছর এই দিনেই শহরের দিদিরা বোনেদের বোনফোঁটা দিয়ে পালন করবেন বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি জেলার অন্যান্য প্রান্তেও এই অনুষ্ঠানের প্রচলনের বার্তা দিয়েছেন তাঁরা। মালদা শহরের দিদিরাই এই প্রথম বোনফোঁটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেন বলে দাবি করেছেন। এমনকী জেলা তো দূর, এমনকী বিশ্বে কোথাও এহেন অনুষ্ঠান কোথাও হয় নি বলে দাবি তাঁদের।

এই দিদিদের মধ্যে কেউ অধ্যাপিকা, কেউ শিক্ষিকা, কেউবা গৃহবধূ। সোশ্যাল মিডিয়াতে আলোচনা, একে একে সমর্থনের ঝড়, তারপর গুরু পূর্ণিমার দিনটি বেছে নেওয়া। সোশ্যাল মিডিয়াতেই আলোচনা, বোনফোঁটায় কে কোন সামগ্রী নিয়ে আসবেন। এদিন বোনেদের জন্য লুচি ভেজে এনেছেন শিক্ষিকা মৌসুমী ঘোষ দাস। পায়েশ করে নিয়ে এসেছেন প্রতিমা সাহা। আবার শহর থেকে খানিকটা দূর আইহো থেকে কলেজ পড়ুয়া বোন ঝুমা পোদ্দার ও যোথিকা মন্ডল নিয়ে এসেছেন ধান, দুর্বা, টক দই। দিদিদের কেউ হাতে করে এনেছেন মিষ্টি। দিদি-‌বোনেরা মিলে যে যা পেরেছেন, যাবতীয় সামগ্রী সঙ্গে করে নিয়ে আসেন। মিলিত হন ‘‌মালদার উঠোন’‌-‌এ। তারপর প্রথা মেনেই ভাইফোঁটার মতোই বোনফোঁটাও দেন তাঁরা। সঙ্গে উচ্চারণ করেন একটি ছড়া।‘‌বোন দিচ্ছে বোনকে ফোঁটা, যমদুয়ারে পড়ছে কাঁটা। দিদির হাতের আশীর্বাদে, বোনের সকাল বিপদ কাটে.‌.‌.‌.।‌’‌ ছড়াটি লিখেছেন অধ্যাপিকা অনুরাধা কুন্ডা। অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা সুদেষ্ণা মৈত্র বলেন,‘‌ফেসবুকে এই নিয়ে একটা মাত্র ডাক দিয়েছি, অমনি অন্যদের সমর্থন। তাঁদের উৎসাহ দেখে অবাক হতে হয়। এরকম একটা অনুষ্ঠান, সত্যিই ভাল লাগার। ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করবো।’‌ উদ্যোক্তাদের আরেক জন মৌসুমী ঘোষ দাস বলেন, ‘‌
আমরা সবাই জানি শাস্ত্র ছেলেদের সুস্থ ও সুন্দর জীবনের জন্য অনেক অনেক প্রথা সৃষ্টি করেছে। ভাইফোঁটা, জামাই ষষ্ঠী, শিবরাত্রি থেকে কর্বাচোওথ-‌সহ আরও অনেক। মেয়েদের জন্যও প্রথা সৃষ্টি হলেও তবে তা সুন্দর জীবনের জন্য নয়। আমরা ভাইফোঁটা কিংবা জামাই ষষ্ঠীর বিরুদ্ধে না গিয়ে শুধুমাত্র আমাদের মেয়েদের মঙ্গলার্থে মেয়েরাই উৎসবের সূচনা করলাম। আমরা আমাদের বোনেদের ফোঁটা দিয়ে। ক্যালেন্ডারের পাতায় হয়ত এই দিনটিও জ্বলজ্বল করতে পারে।’‌ এদিন বোনেরাও ফোঁটা পেয়ে বেশ খুসি। ভাইদের আসনে আজ বসতে পেরে বেজায় আনন্দিত। প্রিয়া দাস, সাবানা খাতুন, মনিষা চৌধুরি, মনিষা ভট্টাচার্যরা প্রত্যেকে কলেজ পড়ুয়া। তাঁরা জানান,‘‌দিদিরা আমাদের ফোঁটা দিলেন। খুব ভাল লাগছে। আমাদের নিয়েও যে একটা অনুষ্ঠান হতে পারে, ভাবতেই পারছি না।’‌

বিক্রি নেই তাই লটারির ব্যবসা বন্ধ করে অনেকেই ধরছেন অন্য পেশা

0

পল মৈত্র, দক্ষিণ দিনাজপুরঃ জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরলে দেখা যায় রাস্তার ধারে টেবিলে লটারি টিকিট সাজিয়ে বহু বিক্রেতা বসে আছে।আবার কেউ কেউ আছে হাতে টিকিট নিয়ে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করে।এই বিক্রেতার সংখ্যা কম নয়।প্রতিদিন সকাল দুপুর সন্ধ্যা তিনবার খেলা হয়।রেজাল্ট আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতা বিক্রেতাদের ভিড় লেগে যায়।কেউ প্রাইজ পায় আবার কেউ পায়না।সম্প্রতি প্রাইজ না পাওয়া লোকের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।টিকিট বিক্রীর চাহিদাও পড়তির দিকে।এইরকম পরিবেশে লটারির টিকিট বিক্রেতার পেশা ছাড়ছেন বহু মানুষ।টিকিট বিক্রীর পেশা ছেড়ে টোটো চালক,চপ ঘুগনি ও ফাস্ট ফুডের পেশা ধরছেন।
টিকিট বিক্রেতাদের অভিযোগ,অবিক্রিত ফিরিয়ে দেওয়া টিকিটে প্রাইজ উঠছে।বিক্রিত টিকিটে প্রাইজ নেই।ফলে টিকিটের চাহিদাও কমে গেছে।সুত্রের খবর জেলা জুড়ে প্রায় কয়েক হাজার টিকিট বিক্রেতা রয়েছে।প্রতিদিন কয়েক লক্ষ টাকার টিকিট বিক্রি হয়।অথচ কোথায় খেলা হয় কিভাবে খেলা হয় তার খবর বেশিরভাগ বিক্রেতা জানেন না।তবু জীবিকার তাগিদে টিকিট বিক্রি চলছে।এ প্রসঙ্গে বুনিয়াদপুরের টিকিট বিক্রেতা ও এজেন্ট সঞ্জয় কবিরাজ বলেন,বিক্রেতাদের অভিযোগ ঠিক নয়।প্রতিটি রাজ্যে বিক্রিত টিকিটে নিয়ম মেনে খেলা হয়।পুরস্কারাও পাওয়া যায়।খেলায় কোনো জালিয়াতি হয়না নিয়ম মেনে খেলা হয়।খবরের কাগজে ফল ঘোষনা হয়।সামগ্রিকভাবে দেকা গেছে আগে যে টিকিট বিক্রীর চাহিদা ছিল তা বর্তমানে কমেছে।স্বাভাবিকভাবে বাজার পড়তির দিকে।কোটি কোটি টাকার এই খেলার সব মাধ্যমে প্রকাশ করার দাবি করেছে বহু মানুষ।

ইতিহাসের বানগড় রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে আজ ব্রাত্য

0

পল মৈত্র,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ বানগড় খনন কার্যের অভাবে আজও মাটির নিচে চাপা পড়ে রয়েছে ২৫০০ বছরের পুরানো বানগড়ের ইতিহাস। সেইসঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হতে বসেছে এই প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন সমৃদ্ধ স্থান। ১৯৩৮ সালে প্রথম বানগড়ে খনন কার্য চালানো হয়। সেসময় প্রাচীন ইতিহাসের অনেক অজানা তথ্য উঠে আসে। তারপর আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (এএসআই) উদ্যোগে বেশ কয়েকবার খনন কার্য হয়েছে। তাতে পাল, সেন ও মৌর্য যুগের বহু নির্দশন পাওয়া যায়। কিন্তু আজও খনন কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। ফলে নিতান্ত অবহেলায় পড়ে রয়েছে এই বানগড়। এনিয়ে জেলার বাসিন্দা ও ইতিহাসবিদদের মধ্যে ক্ষোভ জমেছে।

এবিষয়ে বুনিয়াদপুরের বাসিন্দা ইতিহাস ও বানগড় নিয়ে গবেষনা করা শিক্ষক অমর পাল বলেন, বানগড়ের রক্ষণাবেক্ষণ খুবই দরকার। সমগ্র উত্তরবঙ্গে এরকম প্রাচীন ঐতিহাসিক নির্দশন আর নেই। বেশ কয়েকবার খনন কাজে বহু প্রাচীন নিদর্শন মিলেছে। কিন্তু বর্তমানে খনন কার্য বন্ধ হয়ে আছে। যার ফলে বানগড়ের বহু ইতিহাস আজও মাটির তলায় চাপা পড়ে আছে। খনন কাজ শেষ করা হলে হয়ত আরও অনেক কিছু পাওয়া যেত। প্রশাসনের কাছে আবেদন করব ফের খনন কার্য শুরু করা হোক।

গঙ্গারামপুর ব্লকের শিববাড়িতে ঐতিহাসিক নিদর্শন সমৃদ্ধ এই বানগড় অবস্থিত। বর্তমানে এটি ঢিবির আকারে রয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্‍কালীন অধ্যাপক কুঞ্জগোবিন্দ গোস্বামীর নেতৃত্বে ১৯৩৮-১৯৪১ পর্যন্ত এখানে প্রথম খনন কাজ হয়। ১৪১ একর জায়গা জুড়ে বিশাল মাটির ঢিপি এবং চারপাশের ১০০০ একর জায়গা জুড়ে এএসআই অনুসন্ধান চালায়। তাতে মৌর্য, গুপ্ত ও সেন যুগের বহু প্রাচীন নির্দশন পাওয়া যায়। সেগুলির বেশিরভাগই বালুরঘাট মিউজিয়ামে রাখা আছে। কথিত আছে এই গড় থেকে রাজ্য শাসন করতেন বালি রাজা। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে বান রাজা হয়েছিলেন। তাঁর নাম অনুসারেই এর নাম হয়েছে বানগড়। এখানে গুপ্ত যুগের বৃহত্ দেওয়াল, তামার মুদ্রা, পাল যুগের মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, মৌর্য যুগের পাতকুয়া, পোড়ামাটির থালা, বিভিন্ন ধরনের মৃত্‍পাত্র, পাথরের মালা, তামার মুদ্রা ইত্যাদি পাওয়া গিয়েছে। তাছাড়া পোড়ামাটির স্ত্রী মূর্তি, ব্রাহ্মীলিপি যুক্ত পোড়ামাটির শিলিং, নগর রক্ষায় নির্মিত পোড়ামাটির ক্ষেপনীও পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু বেশ কয়েকবছর ধরে খনন কার্য বন্ধ থাকায় জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে। ফলে আরও নিদর্শন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সেই সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বানগড়ের মতো অমূল্য ঐতিহাসিক নিদর্শনকে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রথমেই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অন্তত সীমানা প্রাচীর দেওয়া উচিত। না হলে এই নিদর্শন একদিন হারিয়ে যাবে।

google-site-verification=Hc1LpMguJcfIaW0yCSfJnAwl29sD-2gI2LMBm_rPpXQ